ঢাকা ১২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ৮ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
শ্যামনগরে বয়স্ক,প্রতিবন্ধী ভাতার বহি ও জটিল রোগে আক্রান্তদের মাঝে চেক বিতরণ সাতক্ষীরায় থানা ঘেরাওর চেষ্টা কোটা আন্দোলনকারীদের, পুলিশের লাঠিচার্জ স্বাধীনতা বিরোধী স্লোগানের নিন্দা জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট বার শ্যামনগর কাশিমাড়ী সুপেয় পানির ট্যাংক বিতরণ বসন্তপুর নদীবন্দর পরিদর্শন করলেন বিআইডব্লিউটি ও ভুমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দেখাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী শ্যামনগরে স্মাট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন নওগাঁর মন্দা বদ্দপুরে তালগাছ চারা রোপন শুভ উদ্বোধন করেন এমপি গামা তালায় দলিত জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন শীর্ষক মতবিনিময় অনুষ্ঠিত দেবহাটায় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে উঠান বৈঠক

দূ্র্গাপূজার উৎপত্তি বাংলাদেশে – অরবিন্দ মৃধা

  • Sound Of Community
  • পোস্ট করা হয়েছে : ০২:৪২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৩
  • ২২৯ জন পড়েছেন ।

অরবিন্দ মৃধা

বাঙালি সনাতনী হিন্দুগণের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দূর্গাপূজা।
অাসুরিক অসুভ শক্তি দমন করে শুভ তথা কল্যাণকর শক্তি ও শান্তি স্থাপনের উদ্দেশ্যে প্রাচীন যুগ থেকেই মানুষের বিশ্বাস ও প্রতিবাদী চেতনার প্রতিফলন রূপে এই পূজার প্রচলন হয়েছে।

শ্রীশ্রী চণ্ডীর বর্ণনা অনুযায়ী মেধস্ মুনি’র পরামর্শে রাজ্য হারা রাজা সুরথ এবং সংসার ত্যাগী বৈশ্য সমাধি নামক বঞ্চিত বনচারী দু’ব্যক্তিকে মহামায়া রূপি দেবী দুর্গার পূজা/আরাধনা করান পরামর্শ দেন। সে অনুযায়ী তাঁরা
মাটির দূর্গা নির্মাণ করে বিধি মাফিক পূজা সম্পন্ন করত: বেতশা নদীতে প্রতিমা বিসর্জন দিয়ে
সিদ্ধিলাভ করেন। চণ্ডীগ্রন্থের বর্ণনা মতে এই কাহিনি বিভিন্ন মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছানোর পর থেকেই দেবী দূর্গার পূজা বা আরাধনা আরম্ভ হয়। আমরা জেনেছি রামায়ণ,মহাভারতের যুগে রামচন্দ্র এবং অর্জুন শক্তি সঞ্চারের আশায় দূর্গা পূজা করেছিলেন। এ সব বিশ্বাসের
আলোকে বাঙালি সমাজে কালে কালে দূর্গা পূজার প্রচলন হয়েছে।

শ্রীশ্রী চণ্ডি গ্রন্থে ইল্লেখ আছে,’
” মেধাস্ত কথায়ামাস সুরথায়:সমাধয়ে:
সা কথা কথিতা পশ্চাৎ মার্কণ্ডেয়েন ভাগুরৌ।।”

এই মেধস্ মুনির আশ্রমের অবস্থান বাংলাদেশের চট্রগ্রাম জেলার করালডাঙাস্থ সন্যাসী পাহাড়ে। এখানে আছে শ্রীশ্রী দূর্গামন্দির। পাশেই আছে মার্কণ্ডেয় কুণ্ডু এবং মার্কণ্ডেয় মুনির ধ্যানের আসন। তাই বলা হয়েছে দূর্গা পূজার উৎপত্তি বাংলাদেশে।

বাংলার সংস্কৃতিতে দেবী দূর্গাকে কেন্দ্র করে উপখ্যান শিল্পায়ন, পূজা,পালা,পার্বণ যা কিছু কালে কালে সৃষ্টি হয়েছে সবই বাঙালি জাতির নিজস্ব শিল্প,স্বকীয়তা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী চেতনার প্রতিফলন। এটি বাঙালির একান্তই নিজস্ব সংস্কৃতি।

Tag :
রিপোর্টার সম্পর্কে

Sound Of Community

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্যামনগরে বয়স্ক,প্রতিবন্ধী ভাতার বহি ও জটিল রোগে আক্রান্তদের মাঝে চেক বিতরণ

দূ্র্গাপূজার উৎপত্তি বাংলাদেশে – অরবিন্দ মৃধা

পোস্ট করা হয়েছে : ০২:৪২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৩

অরবিন্দ মৃধা

বাঙালি সনাতনী হিন্দুগণের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দূর্গাপূজা।
অাসুরিক অসুভ শক্তি দমন করে শুভ তথা কল্যাণকর শক্তি ও শান্তি স্থাপনের উদ্দেশ্যে প্রাচীন যুগ থেকেই মানুষের বিশ্বাস ও প্রতিবাদী চেতনার প্রতিফলন রূপে এই পূজার প্রচলন হয়েছে।

শ্রীশ্রী চণ্ডীর বর্ণনা অনুযায়ী মেধস্ মুনি’র পরামর্শে রাজ্য হারা রাজা সুরথ এবং সংসার ত্যাগী বৈশ্য সমাধি নামক বঞ্চিত বনচারী দু’ব্যক্তিকে মহামায়া রূপি দেবী দুর্গার পূজা/আরাধনা করান পরামর্শ দেন। সে অনুযায়ী তাঁরা
মাটির দূর্গা নির্মাণ করে বিধি মাফিক পূজা সম্পন্ন করত: বেতশা নদীতে প্রতিমা বিসর্জন দিয়ে
সিদ্ধিলাভ করেন। চণ্ডীগ্রন্থের বর্ণনা মতে এই কাহিনি বিভিন্ন মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছানোর পর থেকেই দেবী দূর্গার পূজা বা আরাধনা আরম্ভ হয়। আমরা জেনেছি রামায়ণ,মহাভারতের যুগে রামচন্দ্র এবং অর্জুন শক্তি সঞ্চারের আশায় দূর্গা পূজা করেছিলেন। এ সব বিশ্বাসের
আলোকে বাঙালি সমাজে কালে কালে দূর্গা পূজার প্রচলন হয়েছে।

শ্রীশ্রী চণ্ডি গ্রন্থে ইল্লেখ আছে,’
” মেধাস্ত কথায়ামাস সুরথায়:সমাধয়ে:
সা কথা কথিতা পশ্চাৎ মার্কণ্ডেয়েন ভাগুরৌ।।”

এই মেধস্ মুনির আশ্রমের অবস্থান বাংলাদেশের চট্রগ্রাম জেলার করালডাঙাস্থ সন্যাসী পাহাড়ে। এখানে আছে শ্রীশ্রী দূর্গামন্দির। পাশেই আছে মার্কণ্ডেয় কুণ্ডু এবং মার্কণ্ডেয় মুনির ধ্যানের আসন। তাই বলা হয়েছে দূর্গা পূজার উৎপত্তি বাংলাদেশে।

বাংলার সংস্কৃতিতে দেবী দূর্গাকে কেন্দ্র করে উপখ্যান শিল্পায়ন, পূজা,পালা,পার্বণ যা কিছু কালে কালে সৃষ্টি হয়েছে সবই বাঙালি জাতির নিজস্ব শিল্প,স্বকীয়তা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী চেতনার প্রতিফলন। এটি বাঙালির একান্তই নিজস্ব সংস্কৃতি।