ঢাকা ১০:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ৮ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
শ্যামনগরে বয়স্ক,প্রতিবন্ধী ভাতার বহি ও জটিল রোগে আক্রান্তদের মাঝে চেক বিতরণ সাতক্ষীরায় থানা ঘেরাওর চেষ্টা কোটা আন্দোলনকারীদের, পুলিশের লাঠিচার্জ স্বাধীনতা বিরোধী স্লোগানের নিন্দা জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট বার শ্যামনগর কাশিমাড়ী সুপেয় পানির ট্যাংক বিতরণ বসন্তপুর নদীবন্দর পরিদর্শন করলেন বিআইডব্লিউটি ও ভুমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দেখাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী শ্যামনগরে স্মাট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন নওগাঁর মন্দা বদ্দপুরে তালগাছ চারা রোপন শুভ উদ্বোধন করেন এমপি গামা তালায় দলিত জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন শীর্ষক মতবিনিময় অনুষ্ঠিত দেবহাটায় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে উঠান বৈঠক

নৈতিকতা এখনো মরেনি,তবে শান্তি ফিরতে অনেক দেরি

  • Sound Of Community
  • পোস্ট করা হয়েছে : ০৩:০২:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জুন ২০২৩
  • ২১৭ জন পড়েছেন ।

মতামত পর্বে  কোন দায়বদ্ধতা নেই :

মেয়েটির পাশে টুপি পরা যে লোকটি দাঁড়িয়ে আছেন তার নাম ড. শাহনেওয়াজ নাজিমুদ্দিন আহমেদ। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর।

শিক্ষার্থীদের বাসে করে ক্যাম্পাস থেকে তার বাড়ি ফেরার দৃশ্য এটি। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তাঁর জন্য নির্ধারিত বাস মিস করায় শিক্ষার্থীদের বাসে করেই বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। কিন্তু সেখানেও সিট নেই। তাঁকে দেখে অনেক শিক্ষার্থী সিট ছেড়ে দিয়ে তাঁকে বসার জন্য বলেছিল। কিন্তু তিনি বসতে রাজি হননি, বরং বলেছেন ”এটা তোমাদের জন্য নির্ধারিত বাস, তোমরাই বসো”। এভাবেই অনেকটা পথ গেছেন।
এরপর যখন সিট ফাঁকা হয়েছিল তখনই কেবল তিনি সিটে বসেছিলেন।

এ ঘটনায় কিছুটা হলেও আন্দাজ করা যায় যে, তিনি শিক্ষার্থীদের অধিকারের ব্যাপারে কতটা সচেতন। পৃথিবীর সব শিক্ষকই যদি এমন হতেন! তাহলে হয়তো দেশ আজ এতো দুনীতিবাজের খপ্পরে পড়ে তার গতি হারাতো না।

Tag :
রিপোর্টার সম্পর্কে

Sound Of Community

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্যামনগরে বয়স্ক,প্রতিবন্ধী ভাতার বহি ও জটিল রোগে আক্রান্তদের মাঝে চেক বিতরণ

নৈতিকতা এখনো মরেনি,তবে শান্তি ফিরতে অনেক দেরি

পোস্ট করা হয়েছে : ০৩:০২:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জুন ২০২৩

মতামত পর্বে  কোন দায়বদ্ধতা নেই :

মেয়েটির পাশে টুপি পরা যে লোকটি দাঁড়িয়ে আছেন তার নাম ড. শাহনেওয়াজ নাজিমুদ্দিন আহমেদ। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর।

শিক্ষার্থীদের বাসে করে ক্যাম্পাস থেকে তার বাড়ি ফেরার দৃশ্য এটি। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তাঁর জন্য নির্ধারিত বাস মিস করায় শিক্ষার্থীদের বাসে করেই বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। কিন্তু সেখানেও সিট নেই। তাঁকে দেখে অনেক শিক্ষার্থী সিট ছেড়ে দিয়ে তাঁকে বসার জন্য বলেছিল। কিন্তু তিনি বসতে রাজি হননি, বরং বলেছেন ”এটা তোমাদের জন্য নির্ধারিত বাস, তোমরাই বসো”। এভাবেই অনেকটা পথ গেছেন।
এরপর যখন সিট ফাঁকা হয়েছিল তখনই কেবল তিনি সিটে বসেছিলেন।

এ ঘটনায় কিছুটা হলেও আন্দাজ করা যায় যে, তিনি শিক্ষার্থীদের অধিকারের ব্যাপারে কতটা সচেতন। পৃথিবীর সব শিক্ষকই যদি এমন হতেন! তাহলে হয়তো দেশ আজ এতো দুনীতিবাজের খপ্পরে পড়ে তার গতি হারাতো না।